জেএস (ভোকেশনাল) ৬ষ্ঠ-৮ম এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) ৯ম শ্রেণীতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
এসএসসি ( ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাশের পর সুবিধাসমুহ-
এসএসসি (ভোকেশনাল) সম্পন্ন করা একজন শিক্ষার্থীর জন্য সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় কিছু বাড়তি সুযোগ ও সুবিধা থাকে। কারিগরি শিক্ষার মূল লক্ষ্যই হলো শিক্ষার্থীকে দ্রুত কর্মক্ষম করে তোলা।
এসএসসি (ভোকেশনাল) পাসের প্রধান সুবিধাসমূহ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. উচ্চশিক্ষার নানামুখী সুযোগ
ভোকেশনাল থেকে পাস করার পর আপনি মূলত দুটি প্রধান পথে এগোতে পারেন:
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং: আপনি দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের জন্য পলিটেকনিকে ভর্তির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট কোটা বা অগ্রাধিকার থাকে।
তাছাড়া আপনি চাইলে সাধারণ শিক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ/ মানবিক বিভাগ কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল) এইচএসসি (বিজনোস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি) শাখায় ভর্তি হতে পারেন।
২. দ্রুত কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান
সাধারণ এসএসসি পাসের তুলনায় ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে চাহিদা বেশি থাকে:
কারিগরি দক্ষতা: ট্রেড কোর্সের (যেমন: ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার ইত্যাদি) মাধ্যমে আপনি হাতে-কলমে কাজ শেখেন, যা সরাসরি চাকরিতে যোগ দিতে সাহায্য করে।
আত্মকর্মসংস্থান: নিজের অর্জিত দক্ষতা ব্যবহার করে আপনি নিজেই ছোটখাটো ব্যবসা বা সার্ভিস সেন্টার শুরু করতে পারেন।
৩. সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে (যেমন: রেলওয়ে, পিডিবি, ওয়াসা) টেকনিক্যাল পদগুলোতে ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকে।
শিল্প-কারখানা ও গার্মেন্টস সেক্টরে টেকনিশিয়ান হিসেবে সরাসরি নিয়োগ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
৪. বিদেশে যাওয়ার সুযোগ
বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সাধারণ শ্রমিকের চেয়ে কারিগরি সনদধারী ব্যক্তিরা অনেক বেশি বেতনে বিদেশে কাজের সুযোগ পান। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও সিঙ্গাপুরে ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার বা মেকানিকদের প্রচুর ডিমান্ড।
৫. বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপ
ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমে অনেক সময় ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট বা ইন্টার্নশিপের সুযোগ থাকে, যা একজন শিক্ষার্থীকে বাস্তব কাজের পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা দেয়।